মার্ক টোয়েনের (Mark Twain) মূল্যবান উক্তি,জীবনে সফল হতে চাইলে দুটি জিনিসপ্রয়োজন-জেদ আর আত্মবিশ্বাস"






মনিরুদ্দিন আনসারী : এই দুটি মানুষের সফলতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ গুরুত্বপূর্ণ গুণ। জীবনের সফলতার জন্য, স্থির লক্ষ্য ,ধৈর্য, অনেক আত্মবিশ্বাস , অনেক পরিশ্রম প্রয়োজন ।কেষ্ট লাভ বিনা কষ্টে হয় না ।সময় আমাদের অনেক পরীক্ষা নেবে।অধৈর্য করে, মনের জেদ ও বিশ্বাস নষ্ট করতে চাইবে। উদ্দেশ্য যদি মহান হয়, মাটি কাঁমড়ে ,জেদ ও মনের বল, বিশ্বাস নিয়ে, নিজের কাজ করলে, সফলতা আসতে বাধ্য ।পৃথিবীর সকল সফল মানুষ সহজ পথে সাফল্যের ফল লাভ করে নাই ।অনেক প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করছেন,জেদ, আত্মবিশ্বাস ও ধৈর্য্য সহকারে।তাই সফলতার আড়ালে থাকে অনেক ঘাম, লড়াই, জেদ ,বিশ্বাস।তবেই সাফল্যের শিখর।প্রভাতী বাণী এটা হোক প্রত্যেক মনের ভেতর থাকুক অদম্য কৌতুহল জেদ ও আত্মবিশ্বাস ।





অনুদীপ ঘোষ : জেদ আর আত্মবিশ্বাস একে অপরের পরিপূরক ।জীবনের লক্ষ্যে পৌঁছে দেয় নির্দিষ্ট এক জেদ।আত্মবিশ্বাস তারই সহায়ক।আত্ম বিশ্বাস না থাকলে জেদ পরিপূর্ণতা লাভ করে না।এই দুইয়ের মিলন জীবনে সফলতার উচ্চমার্গে পৌঁছে দেয় ।উচ্চমানের লক্ষ্যে পৌঁছতে গেলে ঝুঁকি তো নিতেই হবে।এই জেদ আর আত্মবিশ্বাস সংকীর্ণ পথ পরিষ্কার করে নতুন আলোর পথ দেখায় ।





দীপান্বিতা চক্রবর্তী :আত্মবিশ্বাস থাকলে সকল কাজে সফল হওয়া ।মনের ওপর আত্ম বিশ্বাস তৈরি না হলে জেদের দিকে এগোনো যায় না।জেদ মানে challange ।যদি আত্মবিশ্বাস নাই থাকলো তাহলে জেদ আসবে কোথা থেকে ?জেদের গুরু আত্মবিশ্বাস ।উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় নীরজ চোপরা, আসলে নীরজ চোপরা হলো "জেদ" এবং তার কোচ(গুরু) হলো আত্মবিশ্বাস ।মার্ক টোয়েন এর এই উক্তি যথার্থ।






কিরীটি মাহাতো :প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব মার্ক টোয়েন এর উক্তি যথার্থ ও জীবনের সাফল্যের সূত্র।জীবনে সাফল্য পেতে গেলে জেদ ও আত্মবিশ্বাস খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।নিজের প্রতি বিশ্বাস থাকলেই নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব।আত্মবিশ্বাস হলো ইঞ্জিন আর জেদ হলো তার জ্বালানি,যার সাহায্যে সাফল্যের গন্তব্যে পৌঁছানো যায়।তাই জেদ ও নিজের প্রতি আস্থা রাখতে হবে।জেদ চলার পথে শত বাধা বিঘ্ন কে অতিক্রম করার শক্তি জোগাবে আর আত্মবিশ্বাস সাফল্যে পৌঁছানোর লক্ষ্য স্থির করবে।তবেই জীবনে সাফল্য আসবে নিশ্চিত।





জয়ন্ত কুমার :জীবনের সাফল্যে জেদ আর আত্মবিশ্বাসের যুগপৎ মেলবন্ধন ঘটা অতি আবশ্যক । জেদ , সাফল্যের প্রসূতি - - প্রচেষ্টা , অধ‍্যবসায় ও অনুশীলনবৃত্তির উত্তরোত্তর উত্তোরণ ঘটায় এবং তাতেই আত্মবিশ্বাস ক্রমপ্রসারিত হয় । যা " একবারে না পারিলে , দেখ শতবার " --- এই অনমনীয় চেতনায় জীবনেকে ঋদ্ধ করে । জেদ ,আমাদের ভাঙতে দেয় না ; পিছিয়ে যাওয়া পলায়নবৃত্তিকে ঘৃণা করতে শেখায় । আত্মবিশ্বাস জোগায় ভরসা , দেয় নিঃশঙ্ক চিত্তে এগিয়ে চলার মন্ত্র ; অফুরান শক্তির সম্ভার । যা পুরুষাকার তাকেই পুরষ্কৃত করে আত্মবিশ্বাস । জেদ যেন দুর্বার তরঙ্গ ; বারংবার চেষ্টার আঘাতে ভেঙ্গে ফেলে বাধার বিন্ধ‍্যাচল । তাই , জেদ যা তেজের দ‍্যোতক এবং আত্মবিশ্বাস যা শঙ্কা হরে -----এই দুয়ের প্রাচুর্যে যত্নশীল ও কষ্টসহিষ্ণু হয়ে ওঠে জীবন ।এই দুয়ের যতনে জীবনে তখন হাতের মুঠোয় মিলে রতন ।





মুকেশ গোৱাই :তাঁর মতে জেদ আর আত্মবিশ্বাসী হল সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। এখানে আমি একটু অন্য মত পোষণ করছি । জেদ আর আত্মবিশ্বাস সাফল্যের প্রাথমিক কারণ হতে পারে কিন্তু পূর্ণ সাফল্য পেতে গেলে প্রথমেই প্রয়োজন একটি নির্দিষ্ট স্বপ্ন বা লক্ষ্যের। এরপর প্রয়োজন ক্ষেত্র বা পরিস্থিতি। তার ওপরে প্রয়োজন মানুষের সহযোগিতা। তারও পরে আছে রাজনীতি।প্রত্যন্ত জঙ্গলের মধ্যে যদি কম্পিউটার সারানোর দোকান করি সাফল্য নাও আসতে পারে কারণ ক্ষেত্র উপযুক্ত নয়।আবার বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু তৎকালীন বৃটিশ সম্রাটের না চাওয়ার কারণে পরিপূর্ণ সাফল্য পান নি। কিন্তু এটা পরিষ্কার যে সবকিছু ঠিক থাকলেও যদি জেদ আর আত্মবিশ্বাস না থাকে তাহলে সাফল্য অসম্ভব।





নাসিমুদ্দিন আনসারী :সর্বজন স্বী-কৃত এই উদ্ধৃতিটি মানব জীবনে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার অন্যতমমূলমন্ত্র । যেকোনো লড়াইয়ে অংশ গ্রহণের মাধ্যমে সাফল্যলাভের জন্য আত্মবিশ্বাস ও অদম্য জেদ এর কোনো বিকল্পকিছু নেই । আত্মবিশ্বাস এবং মনের মধ্যে জেদ পোষণ করেই আমরা পৌঁছাতে পারি লক্ষ্যের সুউচ্চ শেখরে ।পৃথিবীতে যতশক্তি আছে তার কেন্দ্রস্থলে রয়েছে আত্মশক্তি । এই আত্ম-শক্তিই জন্ম দেয় বিশ্বাস ও জেদ ।এই দুই আত্মজ আমাদের সাফল্যের মূল সহায়ক ।





অমৃত রাজোয়ার : জীবনে সফল হতে চাইলে দুটি জিনিস প্রয়োজন জেদ আর আত্মবিশ্বাস!" যত কষ্টই আসুক না কেন আত্মবিশ্বাসের সাথে কাজ করে যেতে হয় নির্দিষ্ট
লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য।চারিদিকের অনেক বাঁধা এসে গতিকে থামিয়ে দেবার চেষ্টা হবে, মনোবল ভেঙে দিতে পারে। কিন্তু অদম্য জেদই পারে সব কিছুকে
অতিক্রম করে সফলতার শিখরে পৌঁছাতে।





বরুন চন্দ্র কুইরি : জীবনের সফলতার জন‍্য জেদ , আত্মবিশ্বাস সাথে নিজের ওপর ও নিজের কাজের উপর ভরসা রাখতে হয় । যদি তুমি ঠিক পথে চলো।, অপরের ক্ষতির কথা চিন্তা না করে নিজের ছন্দে চলো তবে সফলতা তোমার জীবনে থাকবে । মানুষ তো সমাজবদ্ধ জীব তাই অনেক সময় এমন কিছু মানুষের সাথে চলতে হয় তবুও নিজে যথাসম্ভব ভালো চিন্তা নিয়ে চলা উচিত , কারণ একটা মানুষের পরিচয় হলো তার কর্ম ।।





মলয় মাহাতো : পৃথিবীতে জেদ ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে সমাজের বুকে যারা কাজ করেছেন তাঁরা সমস্ত প্রতিকূলতা কে জয় করে মহামানব রূপে পৃথিবীর বুকে নিজেদের ভাস্বর করে দেখছেন। জেদ এর উপর ভর করে সাফল্য অর্জন অন্যতম উদাহরণ পন্ডিত ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি তাঁর অদম্য জেদকে অধ্যবসায় প্রয়োগ করে তিনি বিদ্যাসাগর।সেখানেই তিনি থেমে থাকেননি। সেই জেদকে ঘুণ ধরা সমাজের কুসংস্কার গুলো সংস্কার করার কাজে প্রয়োগ করে তিনি মহামানব। আত্মবিশ্বাস এর সাম্প্রতিক কালে সবথেকে বড় নিদর্শন ভারতের অ্যাথলেটিক এ একমাত্র স্বর্ণপদক জয়ী নীরজ চোপড়া। তাঁর নিজের প্রতি এতটাই আত্মবিশ্বাস ছিল যে জ্যাভলিন থ্রো করার পিছনে তাকানোর প্রয়োজন মনে করেন নি। যাই হোক বর্তমান সমাজে মানুষের এই দুটি বড়ো অভাব তাই মানুষ অসহায়।






সুমন্ত মাহাতো : তাঁর এই উক্তি অক্ষরে অক্ষরে সত্য। এখানে জেদ বলতে তিনি মনের প্রবল ইচ্ছা শক্তির কথা বলেছেন। ইচ্ছা শক্তি প্রবল না হলে কোনো কার্যে সাফল্যতা আসে না।আর আত্মবিশ্বাস হলো নিজের উপর আস্থা। নিজের উপর আস্থা না থাকলে কোনো কাজেই সাফল্যতা আসতে পারে না।কারণ আত্মবিশ্বাসের অভাব হলো দুর্বলতার পরিচায়ক।
তাই জেদ আর আত্মবিশ্বাস একে অপরের পরিপূরক।



Post a Comment

0 Comments