সাফল্যলাভের জন্য নিম্নলিখিত দোষগুলি ত্যাগ করুন ( ১ ) ধৈর্যহীনতা — ধৈর্য না থাকলে কোন কাজে সফল হবেন না । সহসা অর্থ এল না । বলে ধৈর্য হারাবেন না । ( ২ ) সঙ্গে সঙ্গে বড়লােক হওয়ার বাসনা — এই দোষটি অনেকের মধ্যে দেখা যায় । কোন কাজেই লেগে সঙ্গে সঙ্গে ধনবান হওয়া কোনদিন সম্ভব নয় । ( ৩ ) একাগ্রতা ও আগ্রহের অভাব — কোন কাজে আগ্রহ বা একাগ্রতা না থাকলে কোনদিন সেকাজ সম্ভব হবে না । তাতে সাফল্যও আসবে না । ( ৪ ) অতিরিক্ত সেন্টিমেন্টাল হওয়া — যারা কারাে সামান্য কথায় ভেঙে পড়েন তারা জীবনে সাফল্য লাভ করতে পারেন না । সফলতার জন সহনশীল হতেই হয় । ( ৫ ) বােধশক্তির অভাব — বােধশক্তি যাদের মধ্যে নেই তারা সামান্য কারণে হতাশ হয়ে পড়েন । এটা সাফল্যলাভের পক্ষে বাধা স্বরূপ । প্রতি কাজে বা প্রতি পদক্ষেপে মানুষকে বুঝতে হয় — অনুভব করতে হয় — তার অসুবিধার বা সুবিধা কোথায় । কারখানার মালিক কোন কারণবশতঃ মাইনে নিত একটু দেরী করেছে বলকি কারখানায় কাজ বন্ধ থাকবে — এরকমভাবা কোন কর্মচারীর উচিৎনয় । মালিকের সুবিধা - অসুবিধা দেখা দরকার । ( ৬ ) রগ চটা স্বভাব — যে ব্যক্তি সামান্য কথায় রেগে যায় — যার বােধশক্তি ও সহানুশীলতার অভাব তাকেরগচটা বলে।এইরকম রগচটা স্বভাবের লােকেরা জীবনে সফল হওয়া তাে দূরের কথা কোন ব্যক্তির কাছে সম্মান পান না । এমন কি আপন পরিবারেরও ভালাে হতে পারেন না । তাই কোন কারণে রগচটা স্বভাবের হবেন না । ( ৭ ) আলস্য ও দীর্ঘসূত্রতা — আলস্য ও দীর্ঘসূত্রতা ( পরে হবে কিংবা কাল করব বলে যে কাজ ফেলে রাখে ) সাফল্যলাভের তা পরম শত্রু । এগুলি যাদের মধ্যে রয়েছে । তার জীবনে কৃতকার্য লাভ করতে পারে না । ( ৮ ) অহমিকা ও কার্কশ্যভাব — মানবজীবনে সাফল্য হােক বা না হােক — কোনমতেই অহংকারের বশীভূত হবেন না । অহংকার পতনের মূল কারণ । সেই সঙ্গে মধুরভাষী হােন । মধুরভাষীর জয় সর্বত্র । মধুরডাষী ও নিরহংকারীরা সহজেই মানুষের করুণালাভ করতে পারেন । কোন কাজে সাফল্যলাভ করতে তাদের কষ্ট হয় না ।সাফল্যলাভের জন্য নিম্নলিখিত দোষগুলি ত্যাগ করুন ( ১ ) ধৈর্যহীনতা — ধৈর্য না থাকলে কোন কাজে সফল হবেন না । সহসা অর্থ এল না । বলে ধৈর্য হারাবেন না । ( ২ ) সঙ্গে সঙ্গে বড়লােক হওয়ার বাসনা — এই দোষটি অনেকের মধ্যে দেখা যায় । কোন কাজেই লেগে সঙ্গে সঙ্গে ধনবান হওয়া কোনদিন সম্ভব নয় । ( ৩ ) একাগ্রতা ও আগ্রহের অভাব — কোন কাজে আগ্রহ বা একাগ্রতা না থাকলে কোনদিন সেকাজ সম্ভব হবে না । তাতে সাফল্যও আসবে না । ( ৪ ) অতিরিক্ত সেন্টিমেন্টাল হওয়া — যারা কারাে সামান্য কথায় ভেঙে পড়েন তারা জীবনে সাফল্য লাভ করতে পারেন না । সফলতার জন সহনশীল হতেই হয় । ( ৫ ) বােধশক্তির অভাব — বােধশক্তি যাদের মধ্যে নেই তারা সামান্য কারণে হতাশ হয়ে পড়েন । এটা সাফল্যলাভের পক্ষে বাধা স্বরূপ । প্রতি কাজে বা প্রতি পদক্ষেপে মানুষকে বুঝতে হয় — অনুভব করতে হয় — তার অসুবিধার বা সুবিধা কোথায় । কারখানার মালিক কোন কারণবশতঃ মাইনে নিত একটু দেরী করেছে বলকি কারখানায় কাজ বন্ধ থাকবে — এরকমভাবা কোন কর্মচারীর উচিৎনয় । মালিকের সুবিধা - অসুবিধা দেখা দরকার । ( ৬ ) রগ চটা স্বভাব — যে ব্যক্তি সামান্য কথায় রেগে যায় — যার বােধশক্তি ও সহানুশীলতার অভাব তাকেরগচটা বলে।এইরকম রগচটা স্বভাবের লােকেরা জীবনে সফল হওয়া তাে দূরের কথা কোন ব্যক্তির কাছে সম্মান পান না । এমন কি আপন পরিবারেরও ভালাে হতে পারেন না । তাই কোন কারণে রগচটা স্বভাবের হবেন না । ( ৭ ) আলস্য ও দীর্ঘসূত্রতা — আলস্য ও দীর্ঘসূত্রতা ( পরে হবে কিংবা কাল করব বলে যে কাজ ফেলে রাখে ) সাফল্যলাভের তা পরম শত্রু । এগুলি যাদের মধ্যে রয়েছে । তার জীবনে কৃতকার্য লাভ করতে পারে না । ( ৮ ) অহমিকা ও কার্কশ্যভাব — মানবজীবনে সাফল্য হােক বা না হােক — কোনমতেই অহংকারের বশীভূত হবেন না । অহংকার পতনের মূল কারণ । সেই সঙ্গে মধুরভাষী হােন । মধুরভাষীর জয় সর্বত্র । মধুরডাষী ও নিরহংকারীরা সহজেই মানুষের করুণালাভ করতে পারেন । কোন কাজে সাফল্যলাভ করতে তাদের কষ্ট হয় না ।সাফল্যলাভের জন্য নিম্নলিখিত দোষগুলি ত্যাগ করুন ( ১ ) ধৈর্যহীনতা — ধৈর্য না থাকলে কোন কাজে সফল হবেন না । সহসা অর্থ এল না । বলে ধৈর্য হারাবেন না । ( ২ ) সঙ্গে সঙ্গে বড়লােক হওয়ার বাসনা — এই দোষটি অনেকের মধ্যে দেখা যায় । কোন কাজেই লেগে সঙ্গে সঙ্গে ধনবান হওয়া কোনদিন সম্ভব নয় । ( ৩ ) একাগ্রতা ও আগ্রহের অভাব — কোন কাজে আগ্রহ বা একাগ্রতা না থাকলে কোনদিন সেকাজ সম্ভব হবে না । তাতে সাফল্যও আসবে না । ( ৪ ) অতিরিক্ত সেন্টিমেন্টাল হওয়া — যারা কারাে সামান্য কথায় ভেঙে পড়েন তারা জীবনে সাফল্য লাভ করতে পারেন না । সফলতার জন সহনশীল হতেই হয় । ( ৫ ) বােধশক্তির অভাব — বােধশক্তি যাদের মধ্যে নেই তারা সামান্য কারণে হতাশ হয়ে পড়েন । এটা সাফল্যলাভের পক্ষে বাধা স্বরূপ । প্রতি কাজে বা প্রতি পদক্ষেপে মানুষকে বুঝতে হয় — অনুভব করতে হয় — তার অসুবিধার বা সুবিধা কোথায় । কারখানার মালিক কোন কারণবশতঃ মাইনে নিত একটু দেরী করেছে বলকি কারখানায় কাজ বন্ধ থাকবে — এরকমভাবা কোন কর্মচারীর উচিৎনয় । মালিকের সুবিধা - অসুবিধা দেখা দরকার । ( ৬ ) রগ চটা স্বভাব — যে ব্যক্তি সামান্য কথায় রেগে যায় — যার বােধশক্তি ও সহানুশীলতার অভাব তাকেরগচটা বলে।এইরকম রগচটা স্বভাবের লােকেরা জীবনে সফল হওয়া তাে দূরের কথা কোন ব্যক্তির কাছে সম্মান পান না । এমন কি আপন পরিবারেরও ভালাে হতে পারেন না । তাই কোন কারণে রগচটা স্বভাবের হবেন না । ( ৭ ) আলস্য ও দীর্ঘসূত্রতা — আলস্য ও দীর্ঘসূত্রতা ( পরে হবে কিংবা কাল করব বলে যে কাজ ফেলে রাখে ) সাফল্যলাভের তা পরম শত্রু । এগুলি যাদের মধ্যে রয়েছে । তার জীবনে কৃতকার্য লাভ করতে পারে না । ( ৮ ) অহমিকা ও কার্কশ্যভাব — মানবজীবনে সাফল্য হােক বা না হােক — কোনমতেই অহংকারের বশীভূত হবেন না । অহংকার পতনের মূল কারণ । সেই সঙ্গে মধুরভাষী হােন । মধুরভাষীর জয় সর্বত্র । মধুরডাষী ও নিরহংকারীরা সহজেই মানুষের করুণালাভ করতে পারেন । কোন কাজে সাফল্যলাভ করতে তাদের কষ্ট হয় না ।সাফল্যলাভের জন্য নিম্নলিখিত দোষগুলি ত্যাগ করুন ( ১ ) ধৈর্যহীনতা — ধৈর্য না থাকলে কোন কাজে সফল হবেন না । সহসা অর্থ এল না । বলে ধৈর্য হারাবেন না । ( ২ ) সঙ্গে সঙ্গে বড়লােক হওয়ার বাসনা — এই দোষটি অনেকের মধ্যে দেখা যায় । কোন কাজেই লেগে সঙ্গে সঙ্গে ধনবান হওয়া কোনদিন সম্ভব নয় । ( ৩ ) একাগ্রতা ও আগ্রহের অভাব — কোন কাজে আগ্রহ বা একাগ্রতা না থাকলে কোনদিন সেকাজ সম্ভব হবে না । তাতে সাফল্যও আসবে না । ( ৪ ) অতিরিক্ত সেন্টিমেন্টাল হওয়া — যারা কারাে সামান্য কথায় ভেঙে পড়েন তারা জীবনে সাফল্য লাভ করতে পারেন না । সফলতার জন সহনশীল হতেই হয় । ( ৫ ) বােধশক্তির অভাব — বােধশক্তি যাদের মধ্যে নেই তারা সামান্য কারণে হতাশ হয়ে পড়েন । এটা সাফল্যলাভের পক্ষে বাধা স্বরূপ । প্রতি কাজে বা প্রতি পদক্ষেপে মানুষকে বুঝতে হয় — অনুভব করতে হয় — তার অসুবিধার বা সুবিধা কোথায় । কারখানার মালিক কোন কারণবশতঃ মাইনে নিত একটু দেরী করেছে বলকি কারখানায় কাজ বন্ধ থাকবে — এরকমভাবা কোন কর্মচারীর উচিৎনয় । মালিকের সুবিধা - অসুবিধা দেখা দরকার । ( ৬ ) রগ চটা স্বভাব — যে ব্যক্তি সামান্য কথায় রেগে যায় — যার বােধশক্তি ও সহানুশীলতার অভাব তাকেরগচটা বলে।এইরকম রগচটা স্বভাবের লােকেরা জীবনে সফল হওয়া তাে দূরের কথা কোন ব্যক্তির কাছে সম্মান পান না । এমন কি আপন পরিবারেরও ভালাে হতে পারেন না । তাই কোন কারণে রগচটা স্বভাবের হবেন না । ( ৭ ) আলস্য ও দীর্ঘসূত্রতা — আলস্য ও দীর্ঘসূত্রতা ( পরে হবে কিংবা কাল করব বলে যে কাজ ফেলে রাখে ) সাফল্যলাভের তা পরম শত্রু । এগুলি যাদের মধ্যে রয়েছে । তার জীবনে কৃতকার্য লাভ করতে পারে না । ( ৮ ) অহমিকা ও কার্কশ্যভাব — মানবজীবনে সাফল্য হােক বা না হােক — কোনমতেই অহংকারের বশীভূত হবেন না । অহংকার পতনের মূল কারণ । সেই সঙ্গে মধুরভাষী হােন । মধুরভাষীর জয় সর্বত্র । মধুরডাষী ও নিরহংকারীরা সহজেই মানুষের করুণালাভ করতে পারেন । কোন কাজে সাফল্যলাভ করতে তাদের কষ্ট হয় না ।



Post a Comment

0 Comments